বৃহস্পতিবার, ২৫ Jul ২০২৪, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নরসিংদীতে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে চেক বিতরণ নরসিংদী বেলাবতে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা,প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর. পক্ষ থেকে এমপিকে উষ্ণ সংবর্ধনা পলাশে তিন বছরের শিশু মাইশার লাস উদ্ধার আটক ৩ নরসিংদী জেলা শিবপুর উপজেলায় সরকারি ইটের সলিং রাস্তা উঠিয়ে ফেলেছে দুষ্কৃতকারীরা বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ সদস্য অকুতোভয় রাজনীতিক প্রখ্যাত সাংবাদিক কামাল হায়দার স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত এশাআতে দ্বীন নু্রানী তালিমূল কোরআন ক্যাডেট মাদ্রাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পু্রুষ্কার বিতরণ লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলাও করতে হবে……… আলহাজ্ব মোঃ সামসুল ইসলাম মোল্লা নরসিংদীর শিবপুর সাব রেজিস্ট্রার নেই ..হতাশায় গ্রাহক চিত্রশিল্পী আল-আমীনের আঁকা ছবি গুলো সংরক্ষণের প্রয়োজন
আসামিদের ফাঁসাতে গিয়ে শেষে, নিজে ফেঁসে গেলেন

আসামিদের ফাঁসাতে গিয়ে শেষে, নিজে ফেঁসে গেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসাতে নিজের শরীর ছুরি দিয়ে কেটে চামড়ার ভেতর লোহার টুকরা ঢুকিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মামালার সাক্ষী। শনিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আল আমিন। গতকাল নরসিংদী জেলা হাসপাতালে গিয়ে সজিব মিয়া (৩০) নামে ওই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দাবি করেন। আজ পুলিশের কাছে তিনি স্বীকার করেছেন, ওই ঘটনা ছিল সাজানো নাটক।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ২০১৫ সালে নরসিংদীর শিবপুরে পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আরিফ পাঠানকে হত্যা মামলার সাক্ষী সজিব মিয়া গত ১১ অক্টোবর আদালতে মামলার সাক্ষ্য দেন। এর পরদিন, মামলার ৪ আসামির নাম উল্লেখ করে জীবননাশের হুমকিতে আছেন দাবি করে মাধবদী থানায় জিডি করেন। গতকাল, ১৪ অক্টোবর দুপুরে সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকায় নির্জন একটি পুকুরপাড়ে গিয়ে মামুন নামে তার এক বন্ধুর সহায়তায় চাকু দিয়ে নিজের বুকের ডানপাশে নিজেই ছিদ্র করে তার ভেতরে লোহার ছোট টুকরা ঢোকান সজিব। ঘটনার পর মামুন সজিবকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তার এবং সাংবাদিকদের সামনে সজিব দাবি করেন, হত্যা মামলার সাক্ষ্য দেয়ায় মামলার আসামিরা তাকে গুলি করে।
পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কোনো অস্ত্রোপাচার ছাড়াই সজিবের বুকের চামড়ার নিচ থেকে লোহার টুকরা বের করে তাকে ছাড়পত্র দেন চিকিৎসক।
পরে পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করলে সাক্ষী সজিব মিয়া স্বীকার করেন, প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে এই কাজ করেছেন তিনি। এই নাটকের সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা সেটি জানেতে তদন্ত করছে পুলিশ ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ




raytahost-demo
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD